মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠে আয়োজিত এ মেলায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত প্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, যা বৈশাখের চিরচেনা আবহকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। প্রাণচাঞ্চল্য ও আনন্দঘন আয়োজনে মেলাটি এক আকর্ষণীয় মিলনমেলায় পরিণত হয়।
মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্টাফরা নিজস্ব স্টল স্থাপন করেন। এসব স্টলে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প এবং লোকজ সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান তুলে ধরা হয়। আয়োজনজুড়ে ফুটে ওঠে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য, সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ ধারা।
ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খালিদ বিন মোর্শেদ রামিম বলেন, বৈশাখী মেলা এমন একটি আয়োজন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের মানুষকে একত্রিত করে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। এই আয়োজনের মাধ্যমে শুধু উৎসব উদযাপন নয়, বরং একটি আন্তরিক ও প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে, যেখানে সবার অংশগ্রহণই ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা আরও বড় পরিসরে অব্যাহত থাকবে।
এই মেলার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যা আয়োজনটিকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে।
মন্তব্য করুন