অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Sep 7, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাস কর অব্যাহতি

বিদ্যুৎ ঘাটতি কমানো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ছয় মাসের জন্য শুল্ক-কর ছাড় দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।


দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

এ ছাড়া ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণ এবং বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ চুক্তির খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে অর্থ ও বাণিজ্যসংক্রান্ত এই তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন বা ছয় মাস পর্যন্ত সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আমদানি করা যন্ত্রাংশে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে।

মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তের ফলে দ্রুত সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ঘাটতি কমিয়ে শিল্প উৎপাদন সচল রাখা, উৎপাদন ব্যয় ও যন্ত্রপাতির ক্ষতি কমানো এবং বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈঠকে নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যও পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ড রোল ব্যবহারবিধি-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

১০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। চুক্তি স্বাক্ষরের তিন বছর পর উভয় পক্ষ এটি সংশোধনের সুযোগ পাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের ষষ্ঠ বৃহত্তম উৎস হংকং। প্রস্তাবিত চুক্তি পোশাক ও বস্ত্রসহ বিভিন্ন খাতে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৯ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশ, এগিয়ে ছাত্রীরা

1

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি বসাতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন-রাশিয়ার প্রতিয

2

ভেনিস উৎসবের অভিজ্ঞতায় আত্মবিশ্বাস বেড়েছে সুনেরাহর

3

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

4

স্বাস্থ্য-শিক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে কানাডার সহযোগিতা চাইলেন

5

ঢাকা ওয়াসা জাতীয়তাবাদী এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন

6

হাত ধোয়া ও স্বাস্থ্যবিধি চর্চায় গড়ে উঠবে সুস্থ প্রজন্ম: স্থা

7

শৈশবেই বৈষম্য রুখতে প্রাথমিকে অভিন্ন পোশাক ও খাবার-জনপ্রশাসন

8

ডেঙ্গু দমনে ঢাকাজুড়ে টাস্ক ফোর্সের অভিযান

9

ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

10

জনস্বার্থ বিবেচনায় উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ এলজিআরডি ম

11

জয়পুরহাটে ১৮ সেতু নির্মাণে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস

12

অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্য

13

৯৫ বছরেও হাল ছাড়েননি রুস্তম, পেঁপে চাষে সপ্তাহে আয় ২ হাজার

14

বগুড়ার উন্নয়নে রেলপথ, বিমানবন্দরসহ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পন

15

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার:

16

ঘাঘট নদীতে গোসলে নেমে বেরোবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

17

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ:

18

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে কার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিকল

19

গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত

20